রাজশাহীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর চালানো প্রাইভেট কারের চাপায় মোঃ শাহজালালী (৫০) নামে এক রিকশাচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক নারী ও শিশু সহ আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর বোয়ালিয়া থানার তালাইমারী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মুখপাত্র চিকিৎসক শামীম হাসান জানান, দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। অন্য দুজন হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, এস এম রিজন নামের ওই শিক্ষার্থী দ্রুতগতিতে প্রাইভেট কার চালাচ্ছিলেন। এ সময় গাড়িটি প্রথমে এক নারী পথচারীকে ধাক্কা দেয়। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরও দুই রিকশাচালককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক রিকশাচালকের মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, রিজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বেঙ্গল সিগনেচার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন গাড়িসহ তাঁকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে তাঁকে গাড়িসহ বোয়ালিয়া থানায় নেওয়া হয়।
আরএমপি পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (মুখপাত্র) মোঃ গাজিউর রহমান জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। প্রথমে ওই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর বোয়ালিয়া থানার তালাইমারী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মুখপাত্র চিকিৎসক শামীম হাসান জানান, দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। অন্য দুজন হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, এস এম রিজন নামের ওই শিক্ষার্থী দ্রুতগতিতে প্রাইভেট কার চালাচ্ছিলেন। এ সময় গাড়িটি প্রথমে এক নারী পথচারীকে ধাক্কা দেয়। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরও দুই রিকশাচালককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক রিকশাচালকের মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, রিজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বেঙ্গল সিগনেচার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন গাড়িসহ তাঁকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে তাঁকে গাড়িসহ বোয়ালিয়া থানায় নেওয়া হয়।
আরএমপি পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (মুখপাত্র) মোঃ গাজিউর রহমান জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। প্রথমে ওই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক